ঢাকার অদুরে ভ্রমন পিপাসুদের মনিি কক্সবাজার




ঢাকার অদুরে ভ্রমন পিপাসুদের মনিি কক্সবাজার

জুলহাস ইকবাল বিদ্যুৎ: ঢাকার খুব কাছইে নবানগঞ্জ, দোহার উপজলোর, র্কাতকিপুর,ে মনৈটঘাটরে অবস্থান। নগরজীবনরে ব্যস্ততা ও র্কমব্যস্তময় জীবনে একটু প্রশান্তরি জন্য প্রকৃতরি খুব কাছ থকেে পদ্মা নদীর উত্তাল ঢউে উপভোগ ও নৌকায় ভ্রমণ করতে চাইলে আপনি ঘুরে আসতে পারনে পরবিার, বন্ধুবান্ধবসহ মনৈটঘাট থকে।ে পদ্মার অপরূপ বস্তর্িীণ জলরাশি এবং নদীর বুকে জলেদেরে সারি সারি নৌকার ছুটে চলা দখেলে মনে হবে আপনি কক্সবাজার সমুদ্র সকৈতে অবস্থান করছনে।

ভ্রমণপপিাসু সকল র্পযটকদরে মুখে মুখে মনৈটঘাটরে নাম শোনা যায়। র্বতমানে জনপ্রয়ি র্পযটন স্থানে পরণিত হয়ছেে মনৈটঘাট। খুব সকালবলো আসলে দখেতে পাবনে পদ্মার বুক থকেে সারারাত ধরে জলেদেরে ধরা ইলশি মাছসহ বভিন্নি প্রকার মাছরে বাজার। আপনি চাইলে সইে তরতাজা টাটকা মাছ কনিতওে পারবনে। মনৈটঘাটরে অপার সৌর্ন্দয উপভোগ করবার উপযুক্ত সময় হলো র্বষাকাল।তবে শুকনা মৌসুমওে এর সৌর্ন্দযরে কমতি নইে। চরিচনো সইে উত্তাল পদ্মা দখো না গলেওে এখন দখো যাবে পদ্মা নদীর শান্ত রূপ। সন্ধ্যায় পদ্মার পাড়ে বসে র্সূযাস্ত উপভোগ করলে আপনার মনৈটঘাটে আসা র্সাথক মনে হব।ে মূলত এ কারণইে হয়তো অনকেে মনৈটঘাটকে মনিি কক্সবাজার বলে থাকনে।

ঢাকা শহররে যকেোনো প্রান্ত থকেইে গুলস্তিান যাওয়ার সরাসরি বাস পয়েে যাবনে। গুলস্তিানরে গোলাপ শাহর মাজাররে সামনে থকেে সরাসরি মনৈটঘাটরে উদ্দশ্যেে প্রতদিনি ছড়েে যায় যমুনা পরবিহন। ভাড়া জনপ্রতি ৯০ টাকা । ঢাকা থকেে বাসে মনৈটঘাট যতেে সময় লাগে দুই থকেে আড়াই ঘণ্টা।
এ ছাড়া ঢাকার বাবুবাজার ব্রীজ এর গোড়া থকেে কদমতলীর উদ্দশেে লোকাল সএিনজি নয়িওে যাওয়া যায় । জনপ্রতি ১৮০-২০০ টাকা ভাড়া। র্কাতকিপুর বাজার র্পযন্ত আসে । এরপর অটোরকিশাতে জনপ্রতি ১০ টাকা ভাড়ায় সোজা মনৈটঘাট। রকিশায় গলেে ২০ টাকা। প্রাইভটে কার বা মাইক্রো বা বাইক নয়িওে যাওয়া যাব।ে এ ক্ষত্রেে বাবুবাজার ব্রজি পার হয়ে কদমতলী থকেে নবাবগঞ্জরে রুট ধরে টকিরপুর-গালমিপুর হয়ে দোহাররে রুটটাকে ব্যবহার করতে পারনে।
আর ব্যক্তগিত বাহন হলে তো আপনার স্বাধীন মতোই চলে যতেে পারবনে। মনৈটঘাটে মোটরসাইকলে, প্রাইভটে কার, মাইক্রো র্পাকংিয়রে সুব্যবস্থা আছ।ে ঢাকা থকেে অনায়াসইে দনিে গয়িে দনিইে আবার ফরিে আসা যাবে মনৈটঘাট থকে।ে মনৈটঘাট থকেে ঢাকার উদ্দশেে শষে বাসটি ছড়েে যায় সন্ধ্যা ৬টায়। যদি আপনি ৬টায় বাসে চড়নে রাত ৮টা থকেে সাড়ে ৮টার মধ্যে ঢাকায় ফরিে যতেে পারবনে।

সময়রে অভাবে যারা কক্সবাজার সমুদ্র সকৈতে যতেে পারনে না তাদরে একবার হলওে এই জায়গায় আসা দরকার। এত সুন্দর জায়গাটার র্বণনা লখিওে হয়তো সভোবে বোঝানো যাবে না।
ঢাকার পাশে হওয়ার কারণে প্রচুর মানুষ এখানে ঘুরতে আস।ে খয়োনৌকা, ট্রলার অথবা স্পডিবোট নয়িে বশিাল পদ্মার বুকে ভসেে বড়োতে পারবনে আপন।ি ঘাটরে পাশাপাশি দখেে যতেে পারবনে নবাবগঞ্জরে জজবাড়,ি উকলিবাড়,ি আনসার ক্যাম্প, খলোরাম দাতারবাড়সিহ আরও কছিু র্দশনীয় স্থান।
ঘাটে গয়িে একটু এগোলইে দখেতে পাবনে অত্যন্ত সুন্দর ভাবে গোছানো সারি সারি নৌকা বঁেধে রাখা আছ।ে পদ্মার মাঝে অপার সৌর্ন্দয নয়িে জগেে ওঠা চরে যাওয়ার জন্য। মূলত জগেে ওঠা চরই আসল সৌর্ন্দয।অনেকে এই জেগে উঠা চরকে মিনি সেন্টমার্টিন বলে ডাকেন। আর তাই ফরদিপুররে চর ভদ্রাসন/মিনি সেন্টমার্টিন যাওয়ার জন্য নৌকা দরদাম করে উঠে পড়ুন, এক ঘণ্টা চুক্ততিে খয়োনৌকা ছোট ৩০০-১০০০ টাকা বা ট্রলার ৬০০-১৫০০ টাকা আর স্পডিবোট ১৮-২০ মনিটিরে জন্য ২০০০ টাকা । আর ১০ মনিটিরে জন্য ১০০০ টাকা। অবশ্যই দামাদামি করে নবেনে।

মনৈটঘাটে এসে রুপালি ইলশি খাওয়ার স্বাদ নতিে ভুলবনে না। বশেরি ভাগ মানুষরেই ইচ্ছে থাকে পদ্মার তীরে বসে পদ্মার রুপালি ইলশি খাওয়ার। মনৈটঘাটরে পাশইে বশে কছিু রস্তেোরাঁ রয়ছেে বা ভাতরে হোটলে আছ।ে এসব খাবার দোকানে বড় সাইজরে রুপালি ইলশি খতেে চাইলে আগইে র্অডার দতিে হব।ে প্রতি পসি ইলশিরে দাম ৬০-৯০ টাকা, বোয়াল ৮০-১০০ টাকা, চংিড়ি ৬০-৮০ টাকা, পদ্মার নদীর বভিন্নি ধরনরে গুড়া মাছ ৬০-৯০ টাকা। প্রতি প্লটে ভাত ১০ টাকা। আর চাইলে র্কাতকিপুর বাজারে খাবাররে দোকানে গয়িওে খতেে পারনে।
র্কাতকিপুররে ঐতহ্যিবাহী মষ্টিি খতেে ভুলবনে না, এখানকার মষ্টিি বদিশেওে পাঠায় অনকে।ে র্কাতকিপুর বাজারে অবস্থতি সইে ঐতহ্যিবাহী মষ্টিরি দোকানরে মষ্টিরি নাম ও মষ্টিরি দাম উল্লখে করা হলো- ছানার জলসরিা রসগোল্লা ১৮০ টাকা কজেি ও প্রতি পসি ১৫ টাকা। সাধারণ রসগোল্লা ১৫০ টাকা কজেি ও প্রতি পসি ১৫ টাকা। ছানার আমত্তিি ২৫০ টাকা কজেি ও প্রতি পসি ৫০ টাকা। আমত্তিি ১২০ টাকা কজেি ও প্রতি পসি ১০ টাকা। ছানার চমচম ২০০ টাকা ও প্রতি পসি ২০ টাকা। চমচম ও কালোজাম ১৬০ টাকা কজেি ও প্রতি পসি ১৫ টাকা। ছানার বোরফি ৪০০ টাকা কজেি ও প্রতি পসি ৩০ টাকা। বালুশা ১৪০ টাকা কজেি ও প্রতি পসি ৮ টাকা। জলিাপি ১০০ টাকা কজে।ি রসমালাই ৩০০ টাকা কজে।ি দই ১৪০ টাকা কজে।ি আপনি চাইলে আসার সময় এসব ঐতহ্যিবাহী মষ্টিি কনিে আনতে পারনে।

মনৈটঘাট এখন যথষ্টে কোলাহলময়। তবে হ্যাঁ এখানে ছনিতাই হওয়ার মতো ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা কম। তবুও সর্তকভাবে থাকাই ভালো। সাঁতার না জানলে গোসল করার সময় বশেি গভীর পানতিে যাবনে না। কারো সঙ্গে খারাপ আচরণ করবনে না এবং যকেোনো ধরনরে সাহায্যরে জন্য মনৈটঘাটরে পাশইে অবস্থতি পুলশি ফাঁড়তিে যোগাযোগ করতে পারনে।ঢাকা বা দশেরে যকেোনো স্থান থকেে বড়োতে গলেে মনৈটঘাটে থাকার চন্তিা মাথা থকেে ঝড়েে ফলেতে হব।