১৩৮ চিকিৎসকের চাকরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত ২১ মে




১৩৮ চিকিৎসকের চাকরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত ২১ মে

স্টার বাংলা ডেস্ক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ১৩৮ চিকিৎসক চাকরি পাবেন কিনা সে বিষয়ে জানা যাবে আগামী ২১ মে। বুধবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ বিষয়ে শুনানি শেষে আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

১৩৮ জন চিকিৎসক পৃথক পাঁচটি আপিল করেছিলেন। এর ওপর শুনানি শেষে আপিল বিভাগ ২১ মে আদেশের জন্য তারিখ ধার্য করেন। রিটকারীদের বক্তব্য, ২০১৬ সালের মার্চ থেকে এসব চিকিৎসক বেতন পাচ্ছেন না। একই বছরের এপ্রিল থেকে হাজিরায় সই করতে দেওয়াও হয়নি।

বিএসএমএমইউ-এর ১৩৮ চিকিৎসকের মধ্যে যোগ্যদের কিভাবে চাকরিতে রাখা যায় সে ব্যাপারে মতামত জানাতে গত বছরের ২৯ আগস্ট নির্দেশ  দেন আপিল বিভাগ।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০০৬ সালের ২৬ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ তম সিন্ডিকেটে ২০০ জন মেডিক্যাল অফিসারের পদ সৃষ্টি করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় কিছু সংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। সেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করে স্বাচিপের তৎকালীন মহাসচিব ইকবাল আর্সালান হাইকোর্টে একটি রিট করেন। ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে আদালত এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করলে আদালত নিয়োগ সংশোধন সাপেক্ষে হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেন।

আদালতে আবেদনকারী চিকিৎসকদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, কামরুল হক সিদ্দিকী, এ এম আমিন উদ্দিন ও শরীফ ভূঁইয়া। আর বিএসএমএমইউ-এর পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

আইনজীবী শরীফ ভুঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, আদালতের আদেশের ভিত্তিতে এসব চিকিৎসককে নিয়োগ দেওয়া হলেও হাইকোর্টের রায়ে তা প্রতিফলিত হয়নি। রায়ে বলা হয়েছিল, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর এসব পদ তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়া এসব চিকিৎসককে নিয়োগের সময় রিটকারী সিন্ডিকেটে ছিল সেই বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।
পরবর্তীতে ১৩৮ জন চিকিৎসক লিভ টু আপিল খারিজাদেশের বিরুদ্ধে পৃথক ৫টি রিভিউ পিটিশন দায়ের করেন।গত বছর ১২ জুলাই লিভ টু আপিল খারিজ করে দেওয়া রায়ের অনুলিপি প্রকাশিত হয়। এরপর আপিলের খারিজাদেশের বিরুদ্ধে ১৩৮ চিকিৎসক রিভিউ আবেদন করেন।