ঈদে এখনো কক্সবাজারে পর্যটক ঢল




ঈদে এখনো কক্সবাজারে পর্যটক ঢল

স্টার বাংলা ডেস্ক: ঈদের টানা ছুটিতে পর্যটকদের প্রথম পছন্দ কক্সবাজারের পর্যটন স্পটগুলো। এরই মধ্যে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে সেখানকার হোটেল-মোটেল আর গেষ্ট হাউজগুলো।

সমুদ্রের নীল জলরাশি যেন হাত বাড়িয়ে ডাকছে পর্যটকদের। তাই বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্যের কাছে আত্মসমর্পণ করতে এসেছেন ভ্রমণপিপাসু মানুষ। সেখানকার সৈকতের চেয়েও আকর্ষণীয় হলো এর ভ্রমণ পথ।

সৈকত লাগোয়া আকাশছোঁয়া পাহাড় এখানকার অন্যতম আকর্ষণ। হিমছড়ির পাহাড়ের হিমশীতল ঝরনাও বেশ আকর্ষণীয়। কক্সবাজার সৈকত থেকে খোলা জিপ ছাড়ে হিমছড়ির উদ্দেশে। এসব খোলা জিপে চড়ে দর্শনার্থীরা উপভোগ করেন স্বর্গীয় আনন্দ।

কক্সবাজারের আরো একটি অন্যতম আকর্ষণ হলো প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন।আকাশের নীল আর সমুদ্রের নীল সেখানে মিলেমিশে একাকার যেনো। তীরে বাঁধা নৌকা, নান্দনিক নারকেল বৃক্ষের সারি আর ঢেউয়ের ছন্দে মৃদু হাওয়ার কোমল স্পর্শ এটি বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন প্রবাল দ্বীপের সৌন্দর্য বর্ণনার ক্ষুদ্র প্রয়াস।

বালি, পাথর, প্রবাল কিংবা জীববৈচিত্রের সমন্বয়ে জ্ঞান আর ভ্রমণপিপাসু মানুষের জন্য অনুপম অবকাশকেন্দ্র সেন্টমার্টিন। কক্সবাজার জেলা শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে সাগরবক্ষের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ সেন্টমার্টিন। এবার সমুদ্র সৈকতের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পর্যটকরা সন্তুষ্ট।

কক্সবাজার কটেজ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কাজী রাসেল আহম্মদ নোবেল জানান, কক্সবাজারের সাড়ে ৫ শতাধিক হোটেল মোটেল ও কটেজে এরই মধ্যে ৭০ শতাংশ বুকিং শেষ হয়েছে।

কক্সবাজারের স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশা করছেন এবার প্রায় ৪ লাখ পর্যটক সেখানে ভ্রমণ করবেন।

কক্সবাজার জেলা ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি জানান, সমুদ্রে নিরাপদে গোসল করতে ৩টি জোন ভাগ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আর সেসব জায়গায় নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।