চালের দাম অপরিবর্তিত




চালের দাম অপরিবর্তিত

স্টার বাংলা নিউজ: বিদেশ থেকে অমদানির খবরের পরও অপরিবর্তিত রয়েছে চালের দর। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিদেশ থেকে চাল আমদানি হলেও তা এখনো খোলা বাজারে আসেনি, তাই বাজার মূল্যে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তবে নতুন চাল আসায় মানের পরিবর্তনের কারণে দামের পরিবর্তন এসেছে সামান্য। শুক্রবার রাজধানীর রামপুরা বাজার ও হাতিরপুল বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মোটা স্বর্ণা চাল প্রতি কেজি ৪৬ টাকা, পাইজাম ৪৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মিনিকেট রসিদ ও বাসরি ৫৬ টাকা, মিনিকেট (সাধারণ) ৫২ টাকা, নাজিরশাইল ৫২ টাকা, উন্নত মানের নাজিরশাইল ৫৭ থেকে ৫৪ টাকা, বাসমতি ৭০ টাকা, কাটারিভোগ ৭৪ থেকে ৭৬ টাকা এবং পোলাও চাল ৮৫ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
রামপুরা বাজারের মুদি ব্যবসায়ী তোফাজ্জল বলেন, খুচরা বাজারে চালের দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তবে আমদানিকৃত চাল বাজারে আসলে দামের পরিবর্তন আসতে পারে।
এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে সবজির বাজার। তবে আলু, পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেড়েছে। শুক্রবার করলা প্রতি কেজি ৩৫ টাকা, বেগুন ৩০, ঢেঁড়স ৩০, ফুলকপি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, পটল ২৫, কচুর মুখী ৪০, দুন্দল ৩০, ঝিঙ্গা ৩০, পেঁপে ৩০, টমেটো ৫০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, কাকরল ৩০, কচুর লতি ৪০, চাল কুমড়া ২৫ থেকে ৩০ টাকা, মূলা ২৫, মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৫০ টাকা, আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা, পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা থেকে প্রকারভেদে ৩৫ টাকায়।

এদিকে গরুর মাংস ৫০০ টাকা, খাসি ৭২০ থেকে ৭৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার সাদা মুরগি প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, লাল ১৮০ টাকা, কক হালি ৭০০ থেকে ১২০০ টাকা এবং দেশীয় জাতের মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৭০ টাকায়।
বাজারে প্রতি কেজি রুই ও কাতল মাছ ২৬০ থেকে ৩৪০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, কই ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, চিংড়ি ৪৫০ থেকে ৭০০ টাকা, টেংরা ৪২০ থেকে ৬০০ টাকা, শিং ৪৫০ টাকা থেকে ৭০০, ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের হালি ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মেরাদিয়া বাজারের সবজি বিক্রেতা জহির বলেন, পাইকারি বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় খুচরা বাজারে দাম বাড়েনি।